# মিলাদ হোসেন অপু :-
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে ১৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত গাঁজা উন্মুক্ত স্থানে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় মাদক ব্যবসায়ী রতন মিয়ার বাড়ি থেকে মাদক বিক্রির নগদ ৬ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা উদ্ধার করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)’র কাছে হস্তান্তর করেন। ১১ আগস্ট মঙ্গলবার সকালে পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা কালে পলতাকান্দা এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী রতন মিয়ার বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও গাঁজা পাওয়া যায়।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযানে সহযোগিতা করেন, পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি জাকির হোসেন সওদাগর, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক আরিফ মোহাম্মদ শাওন, হাজী জামান, উপজেলা তাঁতীদলের আহবায়ক তোফাজ্জল হোসেন, হাজী আসমত কলেজ শাখা ছাত্র দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হান্নান আহমেদ হিমুসহ স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বিএনপির নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘ একমাস যাবত পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় মাদক নির্মূলে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম এর নেতৃত্ব বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে একাধিক অভিযান সফল হয়েছে। ১১ আগস্ট মঙ্গলবার সকালে পৌর শহরের পলতাকান্দা এলাকায় রতন মিয়ার বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় রতন মিয়া কৌশলে পালিয়ে গেলেও তাঁর বাড়ি থাকা মাদক বিক্রির ৬ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা ও ১৪ কেজি গাঁজা পাওয়া যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ রতন সওদাগর ও সোহান সওদাগরের আপন চাচা ভাতিজা। তারা ভৈরবের মাদকের বড় ডিলার। রতন সওদাগর ইয়াবাসহ ফেন্সিডিল ও গাঁজা সারা ভৈরবসহ আশপাশের জেলা উপজেলায় বিক্রি করে। এতে তাঁর ভাতিজা সোহান সওদাগর সহযোগিতা করে। সেই সাথে সোহান মোটরসাইকেল চুরির আন্তঃজেলার গডফাদার।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ভৈরবের শীর্ষ মাদককারবারি রতন মিয়া। সকালে সে আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে জানালা দিয়ে পালিয়ে গেছে। অভিনব কায়দায় জানালার গ্রিল বানানো রয়েছে বলে তাকে ধরতে পারিনি।
তিনি আরো বলেন, আমাদের সংসদ সদস্য মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এর জিরো টলারেন্স ঘোষণা ভৈরব থেকে মাদক ও ছিনতাই নির্মূল করা। আমরা সেই লক্ষে ঐক্যবদ্ধ। প্রতিটি এলাকায় নেতৃবৃন্দ নিজ নিজ দায়িত্বে মাদক ও ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর নির্দেশনা দেয়া আছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কে.এম মামুনুর রশীদ বলেন, সকালে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম আমার কাছে এক মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে উদ্ধার করা নগদ টাকা বুঝিয়ে দিয়ে যান। আমি ওই টাকা পরবর্তীতে থানা পুলিশকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছি।
ভৈরবে বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ১৪ কেজি গাঁজা পুড়িয়ে ধ্বংস ৬ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা উদ্ধার করে ইউএনও’র কাছে হস্তান্তর
128 views
