# আলি জামশেদ :-
কিশোরগঞ্জের হাওরঘেরা নিকলী উপজেলায় প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ একাধিক পদে নিয়মিত কর্মকর্তা না থাকায় সেবা, তদারকি ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। কোথাও পদ শূন্য, কোথাও এক কর্মকর্তাকে সামলাতে হচ্ছে একাধিক দপ্তর বা এলাকার দায়িত্ব। ফলে দুর্গম হাওরাঞ্চলে রাষ্ট্রের মাঠপর্যায়ের উপস্থিতি কতটা কার্যকর এ প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনিক জনবল সংকটের পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয়হীনতা ও তদারকির ঘাটতির সুযোগে কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগও সামনে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে ফ্যামিলি কার্ডের অনিয়ম নিয়ে উপজেলা প্রশাসনকে ঘিরে অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি আরও আলোচনায় এসেছে। অভিযোগের একটি অংশের তীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহেনা মজুমদার মুক্তির দিকে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। ইউএনও এসব অনিয়মের অভিযোগ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছেন এমন দাবিও স্থানীয় পর্যায়ে রয়েছে।
বর্ষা মৌসুমে নিকলীতে পর্যটকের চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন যেখানে হাওরে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক পর্যটকের সমাগম ঘটে, সেখানে স্থায়ী ট্যুরিস্ট পুলিশ ক্যাম্প কিংবা পূর্ণাঙ্গ নৌ-পুলিশ ব্যবস্থাপনা কেন নেই?
একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পদে ঘাটতি :
অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ২৮ জুলাই নিকলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুর রহমানকে উপর মহলের নির্দেশে ভৈরব থানায় বদলি করা হয়। পরদিন তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগ দেন। এরপর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে নিকলী থানার কার্যক্রম চলছে।
অন্যদিকে, উপজেলা ভূমি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদ সহকারী কমিশনার (ভূমি) শহিদুল্লাহ ইসলাম গত ৩ আগস্ট ঢাকার গুলশান সার্কেলে যোগদান করেন। তাঁর পদ শূন্য হওয়ায় অতিরিক্ত ভূমি প্রশাসনের দায়িত্ব পালন করছেন ইউএনও রেহেনা মজুমদার মুক্তি নিজেই।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শারীরিক অসুস্থতার পাশাপাশি তিনি আগামী ২০ আগস্টের দিকে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে এ তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়ার লক্ষে ১০ তারিখ দুপুরের পূর্বে একাধিকবার ফোন করা হলেও জবাব মিলেনি।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাটতি রয়েছে পুলিশ প্রশাসনে। বাজিতপুর সার্কেল অফিসার তৃপ্তি মন্ডল ছুটিতে যাওয়ার পর গত মে মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন ভৈরব ও কুলিয়ারচরের দায়িত্বে থাকা সার্কেল কর্মকর্তা আবু মুসা শেখ। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নিকলীতে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার পদও দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। ফলে ভৈরব উপজেলার মূল দায়িত্বে থাকা শামসুন নাহার তাসমিন অতিরিক্ত হিসেবে নিকলীর দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ভৈরব উপজেলার দায়িত্বের পাশাপাশি ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক (রেজিস্ট্রেশন) হিসেবেও পদায়িত রয়েছেন বলে জানা গেছে।
একটি দুর্গম হাওর উপজেলা সামলাতে গিয়ে একাধিক কর্মকর্তা একই সঙ্গে একাধিক এলাকার দায়িত্ব পালন করছেন। প্রশাসনের কর্মকর্তারা আন্তরিক হলেও একাধিক দায়িত্বের কারণে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তদারকি কতটা সম্ভব সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।
শুধু প্রশাসন নয়, নিরাপত্তা ব্যবস্থাতেও ঘাটতি :
নিকলীর প্রশাসনিক কাঠামোর সংকট কেবল ইউএনও, এসি ল্যান্ড বা পুলিশ প্রশাসনেই সীমাবদ্ধ নয়। আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়েও নিয়মিত উপজেলা প্রশিক্ষক বা পূর্ণাঙ্গ কর্মকর্তা না থাকায় মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে স্থবিরতার কথা জানিয়েছে দাপ্তরিক সূত্র।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ক্ষেত্রেও নিকলী সদরে পূর্ণাঙ্গ ফায়ার স্টেশন, পর্যাপ্ত জনবল এবং নিয়মিত উদ্ধারকারী কর্মকর্তার দীর্ঘমেয়াদি ঘাটতির কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে প্রতিবছর নিকলী হাওরে বিপুলসংখ্যক পর্যটক এলেও স্থায়ী ট্যুরিস্ট পুলিশ ক্যাম্প নেই। নেই পূর্ণাঙ্গ নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি ও নিবেদিত নৌযানভিত্তিক নিয়মিত কর্মকর্তা-ফোর্স। বর্ষায় হাওর যখন পর্যটকে মুখর হয়ে ওঠে, তখন নৌপথের নিরাপত্তা, দুর্ঘটনা মোকাবিলা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এই ঘাটতি কতটা ঝুঁকি তৈরি করছে সে প্রশ্নও উঠছে।
স্বাস্থ্য খাতেও রয়েছে জনবল সংকট। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, পর্যাপ্ত নার্স ও টেকনোলজিস্টের নিয়মিত শূন্যতার কথা জানা গেছে। কৃষি ও মৎস্যনির্ভর এই গুরুত্বপূর্ণ হাওরাঞ্চলে কৃষি ও মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তার পদও প্রায়ই শূন্য থাকে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
ছয় ভূমি অফিসে একজন কর্মকর্তা :
নিকলীর আয়তন ২১৪.৪০ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮৮৭। উপজেলা জুড়ে ইউনিয়ন সাতটি। এর মধ্যে ছয়টি ইউনিয়নে রয়েছে ইউনিয়ন ভূমি অফিস। অথচ সহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা রয়েছেন মাত্র একজন।
নিকলী সদরের দায়িত্বে থাকা একমাত্র ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সামসুল ইসলামকেও সপ্তাহের প্রতি সোমবার জারইতলা ইউনিয়নের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হয়। ফলে বাকি ইউনিয়নগুলোর ভূমি সংক্রান্ত কার্যক্রম অনেকাংশেই উপ-সহকারী পর্যায়ের জনবলের ওপর নির্ভরশীল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ভূমি সেবা নিতে গিয়ে তাদের নানা ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। ভূমি ব্যবস্থাপনার মতো স্পর্শকাতর খাতে পর্যাপ্ত কর্মকর্তা না থাকায় তদারকি দুর্বল হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
হাওরের বাস্তবতায় প্রশাসনিক উপস্থিতি কেন জরুরি এমন প্রশ্নের জবাবে উঠে আসে বাংলাদেশের হাওর শুধু একটি ভৌগোলিক অঞ্চল নয়। এটি দেশের খাদ্য উৎপাদন, মৎস্যসম্পদ, জীববৈচিত্র ্য এবং লাখো মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত। বছরের বড় একটি সময় পানিতে নিমজ্জিত থাকা এই অঞ্চলে ভূমি, জলাশয়, নৌপথ, কৃষি, মৎস্য, পর্যটন ও আইনশৃঙ্খলা প্রতিটি খাতের ব্যবস্থাপনা অন্য যেকোনো এলাকার তুলনায় বেশি জটিল।
তাই হাওরে প্রশাসনের দৃশ্যমান ও নিয়মিত উপস্থিতি কোনো বিলাসিতা নয়; এটি কার্যকর জনসেবার পূর্বশর্ত।
বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের সাধারণ প্রশাসনিক যুক্তি হলো একজন কর্মকর্তাকে একাধিক এলাকার অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া সাময়িক সমাধান হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি প্রশাসনিক কাঠামোর বিকল্প নয়। অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা যতই আন্তরিক হন, একাধিক এলাকার দায়িত্ব একসঙ্গে সামলাতে গিয়ে মাঠপর্যায়ে সমান সময় দেওয়া কঠিন।
এর প্রভাব পড়তে পারে ভূমি ব্যবস্থাপনা, জলাশয় রক্ষা, অবৈধ বালু-মাটি উত্তোলন প্রতিরোধ, পরিবেশ সংরক্ষণ, আইনশৃঙ্খলা ও দুর্যোগ মোকাবিলায়।
জনবল সংকটের ফাঁকে অনিয়মের অভিযোগ :
নিকলী উপজেলা প্রশাসনকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ডের অনিয়ম নিয়ে অভিযোগের পর স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। কর্মচারীদের ঘিরে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে পাশাপাশি তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তুলে ধরছে বাস্তবতর চিত্র একের পর এক।
এসব অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই জরুরি বলে দাবি তুলন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে অভিযোগ তদন্তাধীন থাকলে তাঁর ফলাফল জনসমক্ষে প্রকাশ করাও জবাবদিহির অংশ বলে মনে করেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো দীর্ঘদিন শূন্য থাকা এবং একাধিক কর্মকর্তার ওপর অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপ থাকলে তদারকি দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। আর সেই সুযোগে কোনো অসাধু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী অনিয়মের চেষ্টা করতে পারে।
রাজনৈতিক বাস্তবতাও আলোচনায় :
নিকলীর স্থানীয় প্রশাসনিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় রাজনৈতিক বাস্তবতাও উঠে আসছে। স্থানীয়ভাবে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক শক্তির পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং বহিষ্কৃত নেতাকর্মীদের বিভিন্ন তৎপরতাও প্রশাসনিক পরিবেশে প্রভাব ফেলছে বলে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে।
তবে এ ধরনের রাজনৈতিক প্রভাবের সুনির্দিষ্টতা ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে এর প্রত্যক্ষ প্রভাব রয়েছে কি না তা পৃথকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
অভিযোগ ও উদ্বেগের বিপরীতে প্রশাসনের বক্তব্যও প্রশাসনের ভাষ্য, সমস্যা সমাধানে তাদের চেষ্টার কোনো ঘাটতি নেই।
৭ আগস্ট সেবা-সংক্রান্ত বিষয়ে মতামত জানতে ভৈরব সার্কেলের সরকারি ফোন নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাজিতপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম শহিদুল্লাহ।
এদিকে হাওরের ভূমি খাতে নদীর বালি-মাটি নিয়ে প্রশাসনের তৎপরতা সম্পর্কে জানতে জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের সঙ্গে কথা হলে তিনি তাঁর চেষ্টা অব্যাহত থাকার কথা জানান। সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও বক্তব্য জানতে পরবর্তীতে সবশেষ ১০ আগস্টেও যোগাযোগের লক্ষে মুঠোফোনে চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। প্রশাসনিক শূন্যতা কি শুধু একটি পদের শূন্যতা? এমন প্রশ্ন স্থানীয় সচেতন মহলে বয়ে বেড়াচ্ছে।
নিকলীর ঘটনাপ্রবাহ তাই কেবল কয়েকটি পদ শূন্য থাকার বিষয় নয়। এটি প্রত্যন্ত ও দুর্গম হাওরাঞ্চলে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক সক্ষমতা কতটা কার্যকর সেই বড় প্রশ্ন সামনে এনেছে।
হাওরের মানুষ বিশেষ কোনো সুবিধা চায় না। তারা চায় সময়মতো ভূমি সেবা, কার্যকর আইনশৃঙ্খলা, নিরাপদ নৌপথ, দুর্যোগে দ্রুত উদ্ধার, দুর্নীতিমুক্ত সরকারি সেবা এবং পরিবেশ ও জলাশয় রক্ষায় দৃশ্যমান প্রশাসনিক তৎপরতা।
প্রশ্ন হলো একজন ইউএনও যদি একই সঙ্গে ভূমি প্রশাসনের অতিরিক্ত দায়িত্ব সামলান, থানায় যদি নিয়মিত ওসি না থাকে, সার্কেল কর্মকর্তা যদি একাধিক এলাকার দায়িত্বে থাকেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা যদি অন্য উপজেলা থেকে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন, ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলো যদি প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে চলে এবং পর্যটন মৌসুমেও যদি স্থায়ী ট্যুরিস্ট পুলিশ ও পূর্ণাঙ্গ নৌ-পুলিশ ব্যবস্থা না থাকে তাহলে হাওরের মানুষের জন্য রাষ্ট্রের প্রত্যাশিত সেবার মান কতটা নিশ্চিত করা সম্ভব?
এই প্রশ্নের উত্তর নিকলীর গণ্ডি ছাড়িয়ে জাতীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গেও যুক্ত।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন কর্তৃপক্ষের উচিত, নিকলীর গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর বর্তমান জনবল পরিস্থিতি দ্রুত পর্যালোচনা করা। যেখানে প্রয়োজন সেখানে পূর্ণকালীন কর্মকর্তা নিয়োগ, নিরাপত্তা ও উদ্ধারব্যবস্থা শক্তিশালী করা, ভূমি প্রশাসনে জনবল বাড়ানো এবং মাঠপর্যায়ের তদারকি জোরদার করা জরুরি।
কারণ প্রশাসনিক শূন্যতা কখনোই শুধু একটি চেয়ার খালি থাকার বিষয় নয়। দীর্ঘ হলে সেই শূন্যতা পরিণত হতে পারে সেবার ঘাটতি, তদারকির দুর্বলতা, জননিরাপত্তার ঝুঁকি এবং রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থার সংকটে।
নিকলীর হাওরবাসীর প্রশ্ন তাই খুব সরল রাষ্ট্রের সেবা কি হাওরের পানির মতোই মৌসুমি হবে, নাকি সারা বছর দৃশ্যমান থাকবে প্রশাসনের উপস্থিতি?

