# মোস্তফা কামাল :-
কিশোরগঞ্জের নিকলীতে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার চার কিলোমিটার ৯৫০ মিটার অংশের সংস্কার কাজ চলছে। এক দিনের বৃষ্টিতেই রাস্তার বিভিন্ন অংশের দু’পাশ থেকে মাটিসহ ইটের কাঠামো ধ্বসে পড়ছে। বুধবার ঘটনাস্থলে গিয়ে এমন চিত্রই দেখা গেছে। সাগরে নিম্নচাপের কারণে বৃষ্টিপাত অব্যাহত আছে। এতে ভাঙনের মাত্রাও বেড়ে চলেছে।
‘ঘূর্ণিঝড় আম্পান ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পল্লী অবকাঠামো পুনর্বাসন প্রকল্প’র আওতায় গত ২১ জুন কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল নিকলী থেকে করিমগঞ্জের খয়রতগামী সড়কের এই সংস্কার কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছেন। নিকলী উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত¡াবধানে কাজটি করছে ভৈরবের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মমিনুল হক। এই রাস্তা ব্যবহারকারী চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ এলাকাবাসী জানিয়েছেন, রাস্তার বেশ কিছুটা অংশ চলাচলের উপযোগী ছিল। কিন্তু ভাল অংশসহ পুরো রাস্তার কার্পেটিং এসকেভেটর দিয়ে গর্ত করে তুলে ফেলায় রাস্তাটি যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। মালামাল পরিবহনসহ চলাচলে চরম ভোগান্তি পেহাতে হচ্ছে। এর মধ্যে একদিনের বৃষ্টিতেই বিভিন্ন জায়গায় ধ্বসে পড়ছে।
নিকলী উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, নিকলী নতুন বাজার থেকে শহরমূল পর্যন্ত আট কিলোমিটা ২০০ মিটার অংশ পড়েছে নিকলীর অধীনে। এর মধ্যে ১৬ কোটি টাকায় চার কিলোমিটার ৯৫০ মিটার অংশ সংস্কারের টেন্ডার হয়েছে। রাস্তাটির প্রস্থ আছে সাড়ে পাঁচ মিটার। সংস্কার কাজের অংশের মধ্যে এক কিলোমিটার হবে আরসিসি ঢালাই। বাকিটুকু হবে কার্পেটিং। আগামী বছর জুন মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। প্রকৌশলী জানান, সংস্কারের অংশটুকুর সব জায়গাতেই কার্পেটিং নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। যে কারণে পুরোটাই কার্পেটিং তুলে নতুন করে করা হচ্ছে।
প্রকৌশলী শফিকুল ইসলামকে প্রশ্ন করা হয়, বৃষ্টির মৌসুমে কাজ শুরু করার কারণে মাঝে মাঝে ক্ষতিগ্রস্ত হলে আবার কাজের পুনর্মূল্যায়ন বা রিভাইস করে টেন্ডার মূল্য বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে কিনা। উত্তরে তিনি জানান, টেন্ডার মূল্য পুনর্মূল্যায়ন করা হবে না। ১৬ কোটি টাকার মধ্যেই কাজ সম্পন্ন করতে হবে।
সংস্কারের মাঝপথেই বৃষ্টিতে ধ্বসে পড়ছে রাস্তার দু’পাশ
108 views
