ভৈরবে মহাশ্মশান ঘাট ও প্রস্তাবিত রাস্তা পরিদর্শন করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার

90 views

# নিজস্ব প্রতিবেদক :-
ভৈরব হিন্দু সম্প্রদায়ের আহ্বানে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক কে.এম মামুনুর রশীদ পৌর শহরের পঞ্চবটি এলাকার মহাশ্মশান ঘাট ও প্রস্তাবিত রাস্তা পরিদর্শন করেছেন। ১৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় পৌর শহরের পঞ্চবটি মহাশ্মশানের রাস্তা সংস্কার ও শ্মশানের কাজ পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পৌর ৩নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর বিএনপি নেতা মো. আক্তারুজ্জামান, পূজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি চন্দন কুমার পাল, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ শ্রীমন্ত লাল পাল, অধ্যক্ষ দীপক সাহা, শ্যামল বর্মন, রাস্তার প্রজেক্ট কমিটির সদস্যবৃন্দ, ভৈরব বাজার গোপাল জিউর মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ, অ্যাডভোকেট নিতাই দেবনাথ, রঘুবীর সাহা, স্বপন দেবনাথ, আজাদ লাল হরিজন ও পূজা উদযাপন যুব উন্নয়ন পরিষদের নেতৃবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে.এম মামুনুর রশীদ সরেজমিনে মহাশ্মশান ও শ্মশানের যাতায়াতের রাস্তা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট হিন্দু ধর্মীয় উপস্থিত নেতৃবৃন্দের সাথে শ্মশান ঘাট ও এর যাতায়াতের রাস্তাসহ নানামুখী সমস্যার কথা তুলে ধরেন। নেতৃবৃন্দের কথা শুনে প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাদেরকে সকল সমস্যা সমাধানে আশ্বস্ত করেন। পরে উপস্থিত হিন্দু ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কথা শুনে তাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রদান করেন।
ভৈরব পৌর ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, পঞ্চবটি শ্মশানঘাট পৌরসভা ও ভৈরব উপজেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের মৃতদেহ সৎকারের একমাত্র জায়গা। এখানে যাতায়াতের রাস্তা ও কোন প্রকার বৈদ্যুতিক লাইট না থাকার কারণে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের শ্মশান ঘাট এলাকায় যেতে নানান দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
ভৈরব উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি চন্দন কুমার পাল বলেন, ভৈরব পৌরসভা ও উপজেলার একমাত্র শ্মশান পঞ্চবটি মহাশ্মশানঘাট। পৌরসভা ও উপজেলার মৃতদেহ দাহ করার জন্য একমাত্র জায়গা এ শ্মশানঘাটটি সংস্কারের অভাবে ঝরাজীর্ণ হয়ে আছে। তারপর আবার যাতায়াতের জন্য তেমন কোন রাস্তা নেই। যে রাস্তাটি আছে তাতেও আবার বৈদ্যুতিক বাতি নেই। এতে রাতের বেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন সৎকার করতে যাতায়াতে নানান প্রতিকূলতা পার করতে হয়।
এ সময় উপস্থিত হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে এই শ্মশানঘাটটি সংস্কার ও রাস্তা নির্মাণের জন্য সুদৃষ্টি কামনা করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে.এম মামুনুর রশীদ জানান, মেঘনা নদী ও ব্রহ্মপুত্র নদের মোহনায় ভৈরব পৌর শহরের পঞ্চবটি মহাশ্মশানঘাটটি অবস্থিত। আমি নিজে এই শ্মশানঘাট এলাকা ও প্রস্তাবিত রাস্তাটি পরিদর্শন করেছি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে কথা বলে যতটুকু সম্ভব শ্মশানঘাটটির সংস্কার, শ্মশানঘাটে যাতায়াতে রাস্তা নির্মাণ ও বৈদ্যুতিক বাতি লাগানোর পদক্ষেপ গ্রহণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।