# নিজস্ব প্রতিবেদক :-
বেশি মূল্য এবং নিম্ন কমিশনের কারণে বাজারে কেরোসিন সঙ্কট চলছে বলে জানা গেছে। বেশি মূল্যের কারণে একেিদক ভোক্তাদের কোরেসিন কেনায় আগ্রহ কম, আবার কমিশন কম থাকার কারণে ব্যবসায়ীরাও কেরোসিন আমদানি আর বিপণনে অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন। একদিনে কেরোসিনের মূল্য বেশি, অন্যদিকে পেট্রোল, অকটেন আর ডিজেলের তুলনায় কমিশন কম থাকার কারণে ডিলার আর এজেন্টরা এখন কেরোসিন বাজারজাত করতে অনিহা প্রকাশ করছেন বলে কয়েকজন জ্বালানি তেলের এজেন্ট জানিয়েছেন।
এজেন্টরা জানিয়েছেন, বর্তমানে ১৪০ টাকায় এক লিটার পেট্রোল বিক্রি করলে কমিশন পাওয়া যায় ৫ টাকা ৭৫ পয়সা। ১১৫ টাকায় এক লিটার ডিজেল বিক্রি করলে কমিশন পাওয়া যায় ৩ টাকা ১৬ পয়সা। ১৪৫ টাকায় এক লিটার অকটেন বিক্রি করলে কমিশন পাওয়া যায় ৫ টাকা ৯১ পয়সা। অথচ ১৩৫ টাকায় এক লিটার কেরোসিন বিক্রি করলে কমিশন পাওয়া যায় মাত্র ২ টাকা ৬৩ পয়সা। যে কারণে ডিলার আর এজেন্টরা কেরোসিন আমদানি করতে অনিহা দেখাচ্ছেন। মূলত পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ডিপো থেকে এজেন্টরা কেরোসিন আমদানি করে থাকেন।
কটিয়াদী উপজেলার মানিকখালী বাজারের ব্যবসায়ী মুর্শেদুজ্জামান ইলিয়াস জানিয়েছেন, পুঁজি খাটিয়ে দোকানে কেরোসিন রাখলে উচ্চ মূল্যের কারণে বিক্রি হয় খুব ধীর গতিতে। আবার ব্যবসায়ীরা কমিশনও পান কম। যে এজেন্টরা কেরোসিন আমদানিতে উৎসাহ পান না। ফলে এখন বিভিন্ন বাজারে কেরোসিনের সঙ্কট চলছে।
করিমগঞ্জের দেহুন্দা এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানান, গ্যাস আর বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির কারণে ভোক্তা পর্যায়ে কেরোসিনের চাহিদা ছিল। অনেকেই এই পরিস্থিতিতে স্টোভ দিয়ে রান্না করার পক্ষপাতি ছিলেন। কিন্তু অধিক মূল্যের কারণে কেরোসিনে পোষায় না।
মূল্য বেশি কমিশন কম বাজারে কেরোসিন সঙ্কট
151 views
