ভৈরবে আলোচিত ইমান খান হত্যা ঘটনার ২৪ দিন পর জড়িত ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

381 views

# মিলাদ হোসেন অপু :-
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বাবার জন্য মিনিট কার্ড আনতে গিয়ে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ইমান খান (১৯) নামে যুবকের হত্যার ঘটনায় ২৪ দিন পর অভিযুক্ত জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। ১৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে ১৫ এপ্রিল রাতে কিশোরগঞ্জ সদর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এতথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের লুন্দিয়া শেখ বাড়ি এলাকার লাল মিয়ার ছেলে মামলার ৭নং আসামি মুরসালিন মিয়া (২১) ও একই বংশের শায়েজ মিয়ার ছেলে মামলার ১০নং আসামি তরুণ মিয়া (১৯)।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৩ মার্চ রাতে বাবার জন্য মিনিটকার্ড কিনতে গিয়ে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত হয় আগানগর ইউনিয়নের লুন্দিয়া গ্রামের পাগলা বাড়ির ইছা মিয়ার ছেলে ইমান খান। হত্যার অভিযোগ উঠে শেখ বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ২৬ মার্চ ৭৯ জনের নাম উল্লেখসহ ৮/১০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে ভৈরব থানায় মামলা দায়ের করেন নিহতের বাবা ইছা মিয়া।
হত্যা ঘটনায় মামলা হওয়ার পর থেকে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায় শেখ বাড়ির লোকজন। এতে পুরুষ শূন্য হয়ে পড়ে পুরো গ্রামের শেখ বাড়ির বংশের বিভিন্ন এলাকা। সেই সুযোগে শেখ বাড়ির প্রায় অর্ধশতাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে পাগলা বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। হত্যার ঘটনায় মামলার আসামি মুরসালিন ও তরুণকে ১৫ এপ্রিল বুধবার রাতে কিশোরগঞ্জ সদর এলাকা থেকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই এমদাদুল কবিরের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ বিষয়ে ভৈরব থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, হত্যার ঘটনার পর নিহতের বাবা ৭৯ জনের নাম উল্লেখসহ ৮/১০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে ভৈরব থানায় মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘদিন আসামিরা পলাতক ছিল। পুলিশ ঘটনার তদন্তে কিছু তথ্যের সত্যতা পেয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ২ জনকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে কিশোরগঞ্জ সদর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনাস্থলে তারা দুইজন ছিল বলে স্বীকার করেছে। ঘটনায় জড়িত বাকী অভিযুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।