নিজস্ব প্রতিবেদক :-
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহে এবার ১৯৯তম ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টায়। জামাতে ইমামতি করবেন শহরের বড় বাজার জামে মসজিদের খতিব মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ ছাইফুল্লাহ। গতকাল মঙ্গলবার ঈদগাহ ময়দানে আয়োজিত ঈদপূর্ব প্রেস ব্রিফিংয়ে একথা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ও ঈদগাহ কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত হয়ে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী ও জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল আলম এবং নিজের পক্ষ থেকে কিশোরগঞ্জবাসীকে ঈদুল আযহার আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ঈদুল ফিতরের জামাতের মত ঈদুল আযহার জামাতও সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি সার্বিক প্রস্তুতির জন্য জেলা প্রশাসন ও আইন শৃংখলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান প্রেস ব্রিফিংকালে মুসল্লিদেরকে কেবল জায়নামাজ ছাড়া অন্য কোন কিছু সাথে না আনতে অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি জানান, জামাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বিপুল সংখ্যক পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন থাকবে দুই প্লাটুন বিজিবি ও র্যাবসহ আইন শৃংখলা বাহিনীর সিআইডি ও পিবিআই। ব্যবহার করা হবে ড্রোন ক্যামেরা। থাকবে পুলিশ ও র্যাবের ওয়াচটাওয়ার, পর্যাপ্ত সংখ্যক সিসি ক্যামেরা, আর্চওয়ে, মেটাল ডিটেক্টর ও এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের বোমা নিষ্ক্রীয়করণ দল।
জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানিয়েছেন, বরাবরের মত এবারও দূরবর্তী মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ভৈরব ও ময়মনসিংহ থেকে ঈদের দিন সকালে দু’টি শোলাকিয়া স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা করবে রেলওয়ে বিভাগ। ঈদ জামাত অনুষ্ঠানের সমস্ত প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।
শোলাকিয়ার সুদীর্ঘকালের ঐহিত্য অনুসারে জামাত শুরুর ১০ মিনিটি আগে তিনটি, পঁচ মিনিট আগে দু’টি এবং এক মিনিট আগে একটি শর্টগানের গুলি ফুটিয়ে জামাত শুরুর সঙ্কেত দেওয়া হবে। তবে পশু কোরবানির বিষয় থাকে বলে ঈদুল আযহার জামাতে ঈদুল ফিতরের তুলনায় মুসল্লির সমাগম কম হয়।
শোলাকিয়ায় জামাত ৯টায় থাকবে কঠোর নিরাপত্তা
54 views
