# নিজস্ব প্রতিবেদক :-
বাড়তি দয়িত্ব পালন করেও আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকায় কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন বিভাগীয় চেয়ারম্যান, দু’জন হলের প্রভোস্ট ও প্রোক্টরসহ অনন্ত ১০ শিক্ষক পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। তাঁরা ২৬ এপ্রিল রোববার বিকালে পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. দীলিপ কুমার বড়ুয়া বলেছেন, ‘উনারা অভিমান থেকে পদত্যাগ করেছেন। সমস্যা মিটে যাবে, সব ঠিক হয়ে যাবে’।
উপাচার্য জানিয়েছেন, কয়েকজন শিক্ষককে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে কাউকে বিভাগীয় চেয়ারম্যান, কাউকে হলের প্রভোস্ট, কাউকে প্রোক্টরসহ অন্যান্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাদের জন্য মাসে বাড়তি তিন হাজার টাকা করে ভাতা স্থির করা হয়েছিল। কিন্তু গত তিন মাস ধরে ভাতা বন্ধ রয়েছে। তবে গত শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে বাজেট মিটিং ছিল। সেখানে মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এর পরও সমস্যাটি সমাধান হয়ে যাবে বলে উপাচার্য আশাবদ ব্যক্ত করছেন। কতজন পদত্যাগ করেছেন, সঠিক সংখ্যাটি উপাচার্য বলতে চাননি। তবে একটি সূত্র ধারণা দিয়েছে, অন্তত ১৫ জন পদত্যাগ করেছেন।
উল্লেখ্য, প্রথমে ২০২১ সালে বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় নামে বিশ্ববিদ্যালয়টি চালু হয়েছিল। শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষ থেকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কোন ক্যাম্পাস না থাকায় কার্যক্রম চলছে শহরের সরকারি গুরুদয়াল সরকারি কলেজের একটি ১০ তলা ভবনে। চারটি বিভাগ, গণিত, ইংরেজি, হিসাব বিজ্ঞান ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়। চব্বিশের পটপরিবর্তনের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরণ হয় কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়।
বর্তমানে শিক্ষার্থী আছেন ৫০০ জন। শিক্ষক আছেন ২৮ জন, কর্মচারী ৩৫ জন। স্থায়ী ক্যাম্পাস না থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ রয়েছে। তারা বেশ কিছুদিন ক্লাস বর্জন, বিভিন্ন কর্মকর্তার কক্ষে তালা ঝোলানোসহ আন্দোলনও করেছেন। তবে সদর উপজেলার বৌলাই এলাকায় ১০৩ একর জায়গার ওপর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক সুবিধা বঞ্চিত অন্তত ১৫ শিক্ষকের পদত্যাগ
55 views
